আমি আপনাদের সাথে কথা বলবো স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়ানোর, খাদ্য সম্পর্কে আমাদের বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন করা অত্যন্ত জরুরী। কেননা আদর্শ ওজন আমাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। দর্শক মন্ডলী আপনারা কীভাবে বুঝবেন যে আপনার ওজন আদর্শ। ওজনের কম আমাদের আদর্শ ওজন বা আইডিয়াল ওয়েট পরিমাপের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, যার মধ্যে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে বিএমআই পদ্ধতির যদি আপনার ওজন কেজিতে কত এবং আপনার হাইড্রোমিটারের কত তা জানেন ।

আপনার ওজন কে হাইট এর বর্গ মিটার দিয়ে ভাগ করলে আপনি একদিন ভাগফল পাবেন যা আপনার বি এম আই বা বডি মাস ইনডেক্স 18.5 নিচে হয় তাহলে বুঝবেন যে আপনার ওজন আদর্শ ওজনে কম এবং আপনাকে অবশ্যই ওজন বাড়াতে হবে। কারণ যখন আপনার আদর্শ ওজনের কম ওজন মেইনটেইন করবেন, আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হবে এবং আপনি বিভিন্ন ভিটামিন এবং মিনারেল সম্বন্ধে আমরা কথা বলবো, কিভাবে কোন কোন খাবারগুলো আপনাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যোগ করলে আপনি আপনার আদর্শ ওজনটা লাভ করতে পারবেন। আপনি এখন দেখাচ্ছেন সেই খাবারটাকে অনেক ধরনের বাড়াতে হবে এরকম কিছু না আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু কিছু খাবার যেটা আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে সেগুলো যোগ করতে হবে এবং আপনি যে খাবারটা এখন খাচ্ছে তার চার ভাগের এক ভাগ খাবার অবশ্যই বাড়াতে হবে ।

এই খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর খাবার হতে হবে যেহেতু আপনার ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন। আপনার ওজন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে হচ্ছে সুস্থ থাকা সেই সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটা হেলদি ওজন বাড়াতে হবে। কনস্ট্রাক্টিভ খাবারগুলো খেতে হবে যে খাবার গুলো আমাদের প্রতিদিনই চাহিদা পূরণ করবে সাথে সাথে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্য আমাদের বডি তৈরি করবেন আপনাকে অবশ্যই একটা ব্যালেন্স ডায়েট মেইনটেইন করতে হবে। এই ডায়েটের কার্বোহাইড্রেট প্রোটিন ফ্যাট ভিটামিন মিনারেল এর উপস্থিতি অবশ্যই জরুরী এজন্য আপনাকে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আপনি এড করতে পারেন দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার ডিম বিভিন্ন হরমোন যেমন লিচু আম কলা কাঠাল যেগুলো আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে। তো দর্শক এবার আসুন আমরা জেনে নেই যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওজন যদি আদর্শ ওজনের কম হয় তাহলে তার খাদ্য কিভাবে মেইনটেইন করলে তার ওজন বাড়বে এবং সে অনেক হেলদি হতে পারবে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির খাদ্যতালিকায় সে প্রতিদিনের যে খাবার খায় তার চেয়ে আমি আগেই বলেছি যে চার ভাগের এক ভাগ খাবার অ্যাড করলেই হবে, খাদ্য তালিকা টা এরকম হবে যে আপনি সকালের নাস্তায় দুইটা মাখন মাখনের নিতে পারেন সাথে একটা অবশ্য কুসুমসহ সিদ্ধ রাখবেন এবং একটি কলা অবশ্যই খাবেন কারন আপনার সকালেই যাতে আপনার বডি এনার্জি নিয়ে কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকে কলা আপনাকে এনার্জি দেবে আপনার ডাইজেস্টিভ সিস্টেম তাকে অনেক ভালো করবে,  আপনাকে অনেক ভিটামিন ফেন্সি থেকে বাঁচাবে। আপনি মধ্যম সকালে নিতে পারেন এক গ্লাস দুধ সাথে অবশ্যই আপনি 12 থেকে 15 টি কাজুবাদাম রাখবেন।

কারণ কাজুবাদাম এটি এমন খাবার যেটা উচ্চ ক্যালোরি সমৃদ্ধ সাথে আপনাকে দেবে প্রোটিন ফ্যাট কার্বোহাইড্রেট সহ বিভিন্ন অ্যাসেনশিয়াল ভিটামিন মিনারেল যেগুলো আপনার হাড় মজবুত করতে সাহায্য করবে। দুপুরের খাবারে আপনি নিতে পারেন দুই থেকে তিনটা রুটি সাথে দুই বা তিনটি মাছ অথবা মাংস এবং অবশ্যই আপনি একটা বিভিন্ন রঙের সবজি এবং শাক রাখবেন যখন আপনি ওজনহীনতার ভুগবেন তখন আপনার শরীরে বিভিন্ন ভিটামিন মিনারেল ঘাটতি থাকবে এবং এই ঘাটতিটা কে দূর করার জন্য রঙিন শাকসবজি অবশ্যই আপনাকে খেতে হবে কারণ যখন আপনি ওজনহীনতা ভুগবেন তখন আপনার শরীরের বিভিন্ন ভিটামিন মিনারেল ঘাটতি দেখা দেবে। এই ঘাটতিটা দূর করার জন্য আগে অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রঙিন শাকসবজি রাখতে হবে এবং আপনি একটা ঘন ডাল রাখতে পারেন কারণ আপনাকে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের সাথে সাথে অনেক ক্যালোরি দিবে। আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে বিকালের নাস্তায় আপনি রাখতে পারেন এক গ্লাস বানানো লসি সাথে অবশ্য আর থেকে 10 খেজুর খাবেন দর্শক মন্ডলী খেজুর এমন একটা ফল যেটা আপনি খেলে আপনার ক্যালরির চাহিদা সাথে সাথে বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ করবে।  যেমন যারা ওজনহীনতার ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ভিটামিন মিনারেল ডিফেন্স এর সাথে সাথে স্ক্রিনটা দেখা যায়  ডাল হয়ে যায়।

এক্ষেত্রে আপনি খেজুর খেলে কি হবে আপনার কি ভালো থাকবে এবং আপনার অনেকের থাকে রক্তশূন্যতা ভিটামিন এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যেটা আমরা দেখছি সেটা হচ্ছে উন্নত দেশে চলছে, খেজুর খেলে আপনার আর রেসিডেন্সি অনেকটাই কমে যাবে, আপনার জন্য ভারী খাবার হয়ে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে আপনি তিন থেকে চার পিস রুটি খেতে পারেন রুটির সাথে দুই তিন পিস মাছ মাংস সাথে রঙিন শাকসবজি নূপুরের মতো আবার খাবে এবং রাতের খাবার শেষ করার আধা ঘন্টা পরে আপনি একটা মিষ্টি দই রাখবেন।  মিষ্টি দই আপনাকে এনার্জি সাথে সাথে আপনার পাকস্থলীকে ভালো রাখবে এবং রাতে একটা ভালো ঘুম দেবে রাতে ঘুমানোর 30 মিনিট আগে আপনি এক গ্লাস কর্মী নিতে পারেন সাথে আর 10 পিস খেজুর খেতে পারেন অথবা একটি চকলেট নিতে পারেন এতে আপনার রাতের ঘুম ভালো হবে আর অবশ্যই মনে রাখবেন আপনাকে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে আপনার শরীরের চাহিদা অনুযায়ী অবশ্যই দিনে আড়াই লিটারের বেশি পানি খেতে হবে।

ভাজাপোড়া খাবার গুলো কে এড়িয়ে চলতে হবে কারণ এগুলো আপনার এসিডিটি বাড়াবে আপনার ক্ষুধা মন্দা ভাব নিয়ে আসবে ফলে আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। যে স্বাস্থ্যকর খাবার গুলোর কথা আলোচনা করলাম আশাকরি এই খাবারগুলো আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি আপনি অ্যাড করেন তাহলে স্বাস্থ্যকর উপায়ে আপনার ওজন বাড়বে এবং আপনি অনেক হেলদি হবেন এবং আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেম অনেক স্ট্রং হবে এবং আপনি যেকোনো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শরীর থেকে পাবেন এবং আপনি প্রতিদিন যে খাবার খান তার সাথেই এগুলো মানিয়ে নিতে পারবেন।