এক তরুণ ইংল্যান্ড বিমানবন্দর থেকে রওনা হয় এবং দমদম বিমানবন্দরে নামার পর বিমানবন্দরের যে নিজস্ব চেকিংয়ের ব্যবস্থা আছে, সেই চেকিংয়ের ব্যবস্থায় ওই ওই তরুণকে সন্ধেহ হয়। বিমানবন্দরে যারা স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন  তারা তখনই ওই তরুণকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে বেলেঘাটা আইডি তে চিকিৎসাধীন হতে, বেলেঘাটা আইডিতে গিয়ে পরীক্ষা করানোর জন্য কিন্তু তিনি বেলেঘাটা আইডি তে ভর্তি হননি তারা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আবেদন করা হয়েছিল সেই আবেদনে কর্ণপাত করেননি ।

কিন্তু অভিযোগ সামনে আসছে এবং ওই তরুণ বেলেঘাটা  আইডি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে ওই দিনই বাড়িতে চলে যান 15 তারিখ, 16 তারিখ সকাল বেলা তিনি তার মায়ের সঙ্গে বাঙ্গুর হাসপাতালে যান, বাঙ্গুর হাসপাতালে যে চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন ভাইরাস আক্রান্তদের  জন্য তাকে ডেকে পাঠানো হয় তিনি পরীক্ষা করেন।  তারপর ওই  চিকিৎসক পরীক্ষা করে পরামর্শ দেন তিনি যাতে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে যান, তার সন্দেহ হচ্ছে যে তিনি হয়তো বা করনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন এখানে কিন্তু দ্বিতীয় দফায় নিয়ম লঙ্ঘন ।

অনুরোধকে উপেক্ষা করা তারা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে না গিয়ে পরামর্শ শুনে বাড়িতে চলে যান এবং তারপর সারাদিন কলকাতা শহরের কোথায় কোথায় গেছে ও কি করেছেন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য দপ্তর,  অন্যদিকে তার মা নবান্নে একজন প্রথম সারির আমলা, তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন,

এরপর তারা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল এ যোগাযোগ করে এবং 17 তারিখ টেস্ট করবেন বলে ঠিক হয় কিন্তু বেলেঘাটা আইডি থেকে তাদেরকে সেই দিন অর্থাৎ 16 তারিখে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয় কিন্তু সেটা উপেক্ষা করে তারা 17 তারিখ এই বেলেঘাটা হসপিটালে নিয়ে যায় এবং টেস্ট করা হলে কোরনা ভাইরাসের উপসর্গ মেলে ।