22 শে মার্চ জনতা কারফিউ আইন ঘোষণা হয়েছে, তো এই জনতা কারফিউ আইন কতটা ইম্পর্টেন্ট তা আমরা জানবো। তার আগে আমাদের অবশ্যই জানতে হবে কি দরকার পরল যে জনতা কারফিউ আইন প্রধানমন্ত্রী মোদি জি ঘোষণা করতে বাধ্য হল।
এই জনতা কারফিউ আইন বুঝতে গেলে তার আগে আপনাকে জানতে হবে পৃথিবীজুড়ে করনা ভাইরাসের আতঙ্ক এবং এই ভাইরাসের জন্য পৃথিবীর মানব জাতি আজ ভয়ঙ্কর দুরবস্থার এর মধ্যে জীবন যাপন করছে, এর আগে আমরা দেখেছি এই মরন ভাইরাস চীন থেকে শুরু হয়। চীনের একটি শহরে এই করনা ভাইরাসের প্রথম দেখা পাওয়া যায় তারপর চীন থেকে বিশ্বের অনেক দেশে এই ভাইরাসের প্রকল্পের সম্মুখীন হয়েছে তার প্রকপের মুখে এখন ভারত বর্ষ। এখন আপনি বলতে পারেন যে এই করোনাভাইরাস আর জনতা কারফিউ আইনের মধ্যে কি সম্পর্ক তো চলুন আমরা সেটা নিয়ে বিস্তারিত জানব। করোনাভাইরাস চীনের থেকে কিভাবে সমস্ত দেশে ছড়িয়ে গেছে সেটা জানাটা আপনার খুবই প্রয়োজন কারণ এই ভাইরাস কিভাবে একজনের থেকে অন্যজনের কাছে ট্রান্সফার হয় সেটা জানলে আপনিও সতর্ক থাকতে পারবেন।
এই চিনা ভাইরাস কিভাবে এক মানব দেহ থেকে অন্য মানবদেহে যায় সেটা জানলে আপনি চমকে যাবেন কোন মানুষ বিদেশে গেছে কিংবা বিদেশে থাকতো সেই দেশে এই ভাইরাস দাঁড়া আক্রমনি তো হয়েছে যেমন ইতালি জার্মানি চীন দেশে কোন ব্যক্তি গেছে সেই দেশের দ্বারা সে এই ভাইরাস তার শরীরে ঢুকে গেছে এইবার সেই ভাইরাস তার শরীর নিয়ে যখন দেশে ফিরে আসে এইভাবে আক্রমনি তো হয় এবার জানব এই ভাইরাস কিভাবে মানবদেহে ঢোকে? মানবদেহ ঢোকার তিনটি মধ্যম রয়েছে যেমন চোখ নাক এবং মুখ এই তিনটি পথ দিয়ে এই ভাইরাস কোন মানবদেহ প্রবেশ করে ,এইবার কটা জিনিস আপনাকে জানতে হবে যেমন কোন করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত ব্যক্তি যখন হাঁচি বা কাশি দেয় তখন তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসা জীবাণু অন্য কারো শরিলে প্রবেশ করতে পারে এইজন্যে সরকার থেকে বারবার সাবধান করা হচ্ছে এক জায়গায় যাতে অনেক লোক জমায়েত না করে।
এই ভাইরাসের এত দ্রুত পরিমাণে ছড়ায় যে তা কল্পনা করা কোনভাবে সম্ভব না, সেই জন্য কোন ব্যক্তি যদি এই ভাইরাস দ্বারা আক্রমনি তো হয়ে থাকে তাকে একান্তই আলাদা ঘরে থাকাটাই বাঞ্ছনীয় কারণ সেই ব্যক্তি যদি ট্রামে বাসে বা  ট্রেনে যাতায়াত করে সেই যখন হাঁচি বা কাশি দেয় তার ড্রপলেট গুলো ট্রেনের হাতলে বা কোন অন্য স্থানে পরে সেই ক্ষেত্রে এই ভাইরাস ১২ ঘন্টা বেঁচে থাকতে পারে এমনটাই গবেষণা করে পাওয়া গেছে , ধরুন সেই ব্যক্তি কাশির সময় মুখে হাত দিয়েছে তার সেই থুতু যখন তার হাতে লাগছে সেই হাত দিয়ে ট্রেনের হাতল ধরছে’ আবার অন্য ব্যক্তি ওই হাতলটা কিছুক্ষণ পর ধরেছে এর ফলে পরবর্তীতে যিনি ধরলেন তার সেই হাত যদি তিনি নাকে-মুখে দেন তাহলে তা শরীরেও এই ভাইরাস ঢুকে যাবে, এইজন্যেই সরকারের তরফ থেকে বারবার বলা হচ্ছে অ্যালকোহল আছে এমন হ্যান্ড ওয়াশ বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার জন্য যাতে যদিও আপনার হাতে এই ভাইরাস লেগে যায় হাত ধোয়ার ফলে সেই ভাইরাস ধ্বংস হয়ে যাবে।
এবার বলি মোদীজি কেন জনতা কারফিউ আইন চালু করলেন এর পেছনে যে মাস্টার প্ল্যান টা আছে তা হল এই জীবাণু কোন মাটিতে বা অন্য কোথাও পড়লে তা 12 ঘণ্টা অব্দি বেঁচে থাকে মোদি জি জনতা কারফিউ আইনে বলেছেন সকাল সাতটা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত এই 14 ঘণ্টা ঘরের থেকে খুব প্রয়োজন না হলে বেরোতে না তার কারণ একটাই এই যে করোনাভাইরাস চেনটা ব্রেক করার একটা প্ল্যান, চীনে এত পরিমাণে এই ভাইরাস ছড়িয়ে গেছে যার ফলে চীনের বহু শহর সমস্ত কিছু বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যেমন বাস চলাচল অফিস সমস্ত সার্ভিস বন্ধ করার পর এই ভাইরাসের মোকাবিলা করতে পেরেছে যেহেতু এই ভাইরাসের কোন অ্যান্টিডোট এখনো তৈরি হয়নি সেই জন্য এই ভাইরাস থেকে মুক্তির একটাই পথ নিজেকে গৃহবন্দি করা।
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে গৃহবন্দি করতে পারে তাহলে সে নিজেও সুস্থ থাকবে এবং তার পরিবারকেও সুস্থ রাখতে পারবে তার কারণ একটাই এই ভাইরাস একজন থেকে বহুজন  মধ্যে ছড়িয়ে যায়।